Monday , February 20 2017
Home / তথ্য-প্রযুক্তি / ‘হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইবার-ইমো বন্ধের প্রশ্নই আসে না’

‘হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইবার-ইমো বন্ধের প্রশ্নই আসে না’

‘হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইবার-ইমো বন্ধের প্রশ্নই আসে না’
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, ‘অ্যাপ ভিত্তিক ভয়েস কল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো বন্ধের প্রশ্নই আসে না। সরকার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। আমরা চেষ্টা করছি মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ যেন অ্যাপ দিয়ে স্বল্প খরচে তাদের প্রবাসে অবস্থান করা প্রিয় মানুষদের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে। আর তাই আমরা এই অ্যাপগুলো বন্ধ করতে চাই না বা এ ব্যাপারে আমাদের কোনো চিন্তা-ভাবনাও নেই।’

আজ রোববার ফোনে প্রিয়.কম-কে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তারানা হালিম এসব কথা বলেন।

এদিকে আজ টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বক্তব্য পাঠিয়েছেন তারানা হালিম। তারানা বলেন, ‘বন্ধ হতে হবে অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল), এক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স। অবৈধ ভিওআইপি বন্ধে জোরদার অভিযান চলছে ও চলবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইমো, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপের বন্ধের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিটিআরসির বক্তব্যের প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। সরকার যেহেতু এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ফলে এই নিয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি যেন না হয় সে জন্য সবাইকে বিষয়টি অবগত করছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

এর আগে গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট বাড়ানোর কারণে দেশে বৈধপথে কলের পরিমাণ কমে গেছে। আগে বৈধপথে গড়ে দিনে ১২ কোটি মিনিট ইনকামিং কল আসত। ২০১৫ সালের আগস্টে কল টার্মিনেশন রেট দেড় সেন্ট থেকে বাড়িয়ে দুই সেন্ট করায় এখন তা দৈনিক গড়ে সাত কোটি মিনিটে নেমে এসেছে।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘কল কমার জন্য শুধু দাম বাড়ানোই মূল কারণ নয়। ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোর মতো স্মার্টফোন অ্যাপে ভয়েস কল সুবিধার কারণে আন্তর্জাতিক ফোনকলের ব্যবসায় প্রভাব পড়েছে।’

ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোর মতো স্মার্টফোন অ্যাপে ভয়েস কলের সুবিধার কারণে আন্তর্জাতিক কলের পরিমাণ কমছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান।

স্মার্টফোনে এ ধরনের অ্যাপ ব্যবহার বিষয়ে দু-এক মাসের মধ্যে বিটিআরসি একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় বলেও জানিয়েছিলেন ড. শাহজাহান মাহমুদ।

বিটিআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবিব খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর দুইদিন পর এ বিষয়ে মুখ খুললেন সংস্লিষ্ট বিভাগের প্রতিমন্ত্রী

About Monira Islam

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *