Saturday , January 21 2017
Home / এক্সক্লুসিভ / কাগজপত্র বিহীন গাড়ি চালকদের আতঙ্কের নাম সার্জেন্ট হ্যাপী। জানেন কে এই হ্যাপী?

কাগজপত্র বিহীন গাড়ি চালকদের আতঙ্কের নাম সার্জেন্ট হ্যাপী। জানেন কে এই হ্যাপী?

তীব্র রোদ আর ধূলা বালির মধ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডিউটি করে যাচ্ছেন সিএমপির প্রথম নারী সার্জেন্ট হ্যাপী বেগম। একনিষ্ঠ এই নারী সার্জেন্ট তার কাজ দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নগরীতে।
চট্টগ্রামে যানবাহনের কাগজপত্রের সমস্যা ও যানজট নিরসনে বর্তমানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সাজের্ন্ট হ্যাপী। তাকে সাহায্য করছেন পুলিশ কনেষ্টেবল হালিম। এমন চিত্রই দেখা গেছে, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ অলংকার মোড়ে।

পুলিশের পোশাক পরিহিত স্মার্ট সার্জেন্ট হ্যাপীকে দেখতে সাধারন মানুষের মধ্যেও ঔৎসুক্য দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছে বহুদিন পর চট্টগ্রামে নারী সার্জেন্ট এসেছে। যে যাই বলুক না কেন তার পিছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই, রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিদিনের মত চোখে হালকা কালো সানগ্লাস, হাতে ওয়াকিটকি আর মামলার বই নিয়ে একের পর এক মামলা টুকে যাচ্ছেন হ্যাপী। বিভিন্ন গাড়ীর মেয়াদহীন কাগজপত্রের জটিলতা নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছেন হ্যাপী।

কোন তদবির বা অনুরোধের তোয়াক্কা না করে মামলার স্লিপ ধরিয়ে দিচ্ছেন লাইসেন্সে ঘাপলা থাকা ড্রাইভারদের হাতে। ড্রাইভার বেশী তর্কাতর্কি করলে সোজা টু স্লিপ দিয়ে পাঠিয়ে দেন ডাম্পিংয়ে।

গাড়ী চালক করিম বলেন, ভাই কোন কথা বলা যায় না, কাগজপত্র একটু সমস্যা থাকলেই মামলা দেয়, আর টাকা পয়সার কথা তো দুরের ব্যাপার, এ নিয়ে কোনো কথা বললেই মামলা দেয়ার সম্ভাবনা আছে। চট্টগ্রামে যেসব গাড়ীর ফিটনেস এবং কাগজপত্র মেয়াদহীন বা লাইসেন্স বিহীন গাড়ী চালক আছে তাদের জন্যও সিএমপি ট্রাফিক বিভাগে এক আতঙ্কের নাম সার্জেন্ট হ্যাপী।

হ্যাপির গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মনবাড়িয়া। গত ১ নভেম্বর ঢাকার উত্তরা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর জোনে যোগদান করে তিনি। নতুন হিসেবে কাজ শুরু করলেও পুরুষ সার্জেন্টদের চেয়ে অনেক বেশি দায়িত্বশীলভাবে এবং সৎভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এ ব্যাপারে সার্জেন্ট হ্যাপী বলেন, প্রতিদিন গাড়ীর কাগজপত্র যাচাইবাচাই করে আট দশটা মামলা দিয়ে থাকি। তাছাড়া দেশের স্বার্থে জনগনের সেবা দিতে এই পেশায় এসেছি, তাই যতদিন এই পেশায় নিয়োজিত থাকবো ততদিন দেশ ও সাধারণ মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাবো।

About admin bd

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *